আবাস যোজনা প্রকল্পের উপভোক্তার প্রথম কিস্তির টাকা উধাও,ঘর নির্মান না করতে পেরে একটি কাচা ঘরেই দিন গুজরান তিন সন্তান সহ দম্পতির

257 Views

নিজস্ব সংবাদাতাঃ প্রথম কিস্তির টাকা অন্যের খাতায় জমা হয়েছে।কিন্তু ঘরের মাটি ভরাটের বিল তিনবার ঢুকেছে আবাস যোজনা প্রকল্পের উপভোক্তার।
তালিকায় নাম থাকলেও প্রথম কিস্তির টাকা না পেয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে মালদহের চাঁচল-১ নং ব্লকের মহানন্দাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতেরর অন্তর্গত হারিয়ান গ্রামের বাসিন্দা বানু বিবি।
উপভোক্তার স্বামী বারেক আলী তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য রুকশানা খাতুনের বিরুদ্ধে আবাস যোজনার টাকা অবৈধভাবে তুলে নেওয়ার অভিযোগ তুলছে।অভিযোগ,পঞ্চায়েত সদস্য কাটমানি চেয়েছিল।দশ হাজার টাকা না দেওয়ায় এই হয়রানির শিকার।
যদিও টাকা চাওয়ার বিষয়টি মিথ্যে বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ওই সদস্য।তিনি নাকি প্রথম কিস্তির টাকার তল্লাশির জন্য পঞ্চায়েত ও ব্লক দপ্তরের চৌকাটে বার বার পা রেখেছেন।
ডাটা এন্ট্রির সময় নথি আপলোড করতে ভুল বশত অন্যের একাউন্ট এক্টিভ হয়ে গেছে।সেবিষয়ে বিডিওকে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মহানন্দাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান গোপাল চৌধুরী।

সঠিক তদন্তের জন্য চাঁচল-১ বিডিও-র দারস্থ হয়েছেন আবাস উপভোক্তার স্বামী বারেক আলী।তিনি জানান,মাস খানেক জানতে পারি আবাস যোজনার প্রথম কিস্তির টাকা অন্যের একাউন্টে ঢুকেছে।তবে আমার বাড়িতে তদন্তের জন্য জি.ও ট্রাকিং করা হয়েছিল।
আমার একাউন্টে মাটি ভরাটের টাকা আসলেও প্রথম কিস্তির টাকা আসলো না কেন?বিপাকে তারা।বর্তমানে দিনমজুর বারেক আলী একটি কাচা টিনের ঘরেই দিন গুজরান করছে তিন সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে।ব্লক প্রশাসন তদন্ত করলে টাকার হদিস মিলবে বলে আশাবাদী বারেকের পরিবার।চাঁচলের বিডিও সমীরণ ভট্টাচার্য্য এর সাথে কেউ জড়িত থাকলে প্রয়োজন পদক্ষেপ করা হবে।গোটা বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!